• মঙ্গল. মার্চ ২, ২০২১

অনুসন্ধানবার্তা

অজানাকে জানতে চোখ রাখুন

কাজিপুরে জোরপূর্বক জমি দখল করে চলছে অনুমোদন বিহীন ইটভাটা

Byঅনুসন্ধান বার্তা

নভে ১৬, ২০২০
0 0
Read Time:3 Minute, 48 Second

কাজিপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি :

পরিবেশ অধিদপ্তরের নেই ছাড়পত্র, জমি মালিকদের সাথে করা চুক্তির মেয়াদ শেষ, ভাটার ৩০০ মিটারের মধ্যে শহিদ এম মনসুর আলী আইএইচটি ভবন ও পল্লী বিদ্যুতের জোনাল অফিস। তার পরেও চলছে ইট কাটার ধুম।

পাশের ঘনবসতিপূর্ণ এলাকার মানুষের জমিজমা জবর দখল করে স্থানীয় প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় জোর করে নিয়ে চলছে ইটভাটার মহাযজ্ঞ।

এবিষয়ে স্থানীয় এলাকাবাসী রবিবার (১৫ নভেম্বর) বিকেলে কাজিপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

ভূমির মালিকগণ লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন ‘ যমুনা’ নামের ওই ভাটা ২০১৫ সালে করিম নামের একজন শুরু করেন। সে সময়ে ভাটার মালিক কোন প্রকার সরকারি কাগজপত্র ছাড়াই এলাকাবাসিকে অনুরোধ করে জমির মালিকদের টাকা দিয়ে ভাটা পরিচালনা করেন।

তিনি দুই বছর পূর্বে সিরাজগঞ্জের গোলাম মোস্তফা নামের একজনের নিকট এই ভাটা বিক্রি করে দেন। জমির মালিকদের সাথে থাকা চুক্তিনামা ছিলো সর্বশেষ এ বছরের জুন মাস পর্যন্ত। এরই মধ্যে সরকারি দুটি প্রতিষ্ঠান এই এলাকায় গড়ে ওঠে। সেইসাথে কলেজ, উচ্চ বিদ্যালয়, মাদ্রাসা, প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ প্রায় ১২ টি স্থাপনা ইটভাটার চারপাশে আধা কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থিত।

সকাল-বিকালে ভাটার দুইশ মিটারের মধ্যে বসে গুরুত্বপূর্ণ বাজার। এছাড়া যমুনার ভাঙ্গনে বিলীন হওয়া শুভগাছা ও গান্ধাইল ইউনিয়নের বেশকিছু জনপদের মানুষের বাসস্থান ভাটার চারপাশ ঘিরে। এসব দিক বিবেচনা করে ভাটার মালিকের সাথে জমির মালিকগণ নতুন করে চুক্তি করতে অস্বীকৃতি জানান। কিন্ত ভাটা মালিক স্থানীয় কিছু দালালদের হাত করে জবরদস্তি করে ভাটার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। তবে এসব বিষয়ে কথা বলতে গেলেই তাদের মাস্তান বাহিনী জমি মালিকদের নানা হুমকী ধামকি প্রদান করেন বলেও অভিযোগ করেন ভুক্তভোগিরা।

সোমবার (১৬ নভেম্বর) ওই ভাটায় সরেজমিন গিয়ে কথা হয় ভাটার ম্যানেজার মুক্তার রহমানের সাথে। তিনি জানান, পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র আছে। তবে দেখতে চাইলে তিনি তা দেখাতে পারেননি। তবে জমির মালিকদের করা ভয়ভীতির অভিযোগ সঠিক নয় বলে তিনি দাবি করেন।

এবিষয়ে কাজিপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জাহিদ হাসান সিদ্দিকী বলেন, ‘মৌখিক অভিযোগের ভিত্তিতে ভাটা মালিককে ফোন করে সর্তক করেছিলাম। এবার লিখিত অভিযোগ পেয়ে সংশ্লিষ্ট এলাকার নায়েবকে পাঠিয়েছি। উনি রিপোর্ট করলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

Happy
Happy
0 %
Sad
Sad
0 %
Excited
Excited
0 %
Sleepy
Sleepy
0 %
Angry
Angry
0 %
Surprise
Surprise
0 %
error: Content is protected !!