• শনি. ফেব্রু ২৭, ২০২১

অনুসন্ধানবার্তা

অজানাকে জানতে চোখ রাখুন

ডিসেম্বরে চালু হতে যাচ্ছে বগুড়ার মধুবন সিনে প্লেক্স

Byঅনুসন্ধান বার্তা

অক্টো ১৬, ২০২০
0 0
Read Time:4 Minute, 40 Second

বগুড়া প্রতিনিধি :

স্বাস্থ্য বিধি মেনে আজ শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) থেকে সকল সিনেমা হল খুলে দেয়ার ঘোষনা হলেও লোকসানের কথা চিন্তা করে হবে ভেবে উদ্বোধন হচ্ছে না দেশের তৃতীয় সিনে প্লেক্স বগুড়ার ‘মধুবন’।

মধুবন সিনেমা হলটির যাত্রা শুরু হয়, ১৯৭৪ সালের ১০ অক্টোবর ” ডাকু মনসুর” সিনেমার মধ্য দিয়ে। ২০১৮ সালে ” ঢাকা এ্যাটাক” ছবি প্রদর্শনের পর তা বন্ধ হয়ে যায়। এরপর মধুবন সিনেমা হল থেকে মধুবন সিনে প্লেক্সের চিন্তা মাথায় নিয়ে কাজ শুরু করে কর্তৃপক্ষ।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বগুড়া শহরের চেলোপাড়ার উন্নয়ন এবং আবাসিক এলাকা গড়ে উঠার পিছনে প্রয়াত অবসর প্রাপ্ত বৃটিশ সেনা অফিসার মধুবন হলের প্রতিষ্ঠাতা লেঃ এ এম ইউনুস এর অবদান অনেক বেশী। মধুবন সিনেমা হল প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর আরও জমজমাট হয়ে উঠে চেলোপাড়া। নুতন করে আবারও ওই এলাকার চাঞ্চল্য বাড়বে মধুবন সিনে প্লেক্স চালুর পর এটাই মনে করছে এলাকাবাসী।

এবিষয়ে কথা হয় মধুবন সিনে প্লেক্সের মালিক আর এম ইউনুসের সাথে। তিনি জানান, হল উদ্বোধনের কথা থাকলেও স্বাস্থ্য বিধি মেনে চালু করা সম্ভব নয়। এতে ৩৪০ আসনের তিন ভাগের এক ভাগ আসন থাকবে। এসির বিলই হবে না। লোকসান গুনে হল চালানো সম্ভব নয়। ৫ কোটি টাকা ব্যায়ে নির্মিত হলে দর্শকের সাড়া পড়বে বলে তিনি আশাবাদী। সে ক্ষেত্রে পরিবার নিয়ে সিনেমা দেখা যাবে এমন ছবি বাছাই করে ছবি চালাবেন। পরিবার নিয়ে ছবি দেখার মত ভালো ছবির অভাবেই মানুষ হল বিমুখ হয়েছে বলে তিনি মনে করেন। তাই ভালো ছবি এবং হলের সুষ্ঠ পরিবেশ বজায় থাকলে দর্শক আবারও হলে আসবে এই বিশ্বাসই আমাকে অনুপ্রানিত করেছে।

মধুবন সিনেমা হল ও চেলোপাড়ার ইতিকথা তুলে ধরে তিনি বলেন, আমার বাবা ১৯৬৯ সালে হলটি শুরু করেন। তারপর স্বাধীনতা যুদ্ধের কারনে কাজ থেমে যায়। এক হাজার আসন বিশিষ্ট হলটি ১৯৭৪ সালের ১০ অক্টোবর ঈদের দিন ‘ডাকু মুনসুর’ ছবির মধ্যদিয়ে হলটির যাত্রা শুরু হয়। সিনেমা হল চালুর পর চেলোপাড়া এলাকায় চাঞ্চল্য শুরু হয়। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং আবাসিক এলাকা হিসেবে উন্নয়নের শুভ সূচনা হয়।

তিনি আরো বলেন, ১৯৬৬ সালে তার বাবা চেলোপাড়ায় বিদ্যুত সংযোগে ভুমিকা রেখেছেন। ওই সময় থেকে চেলোপাড়ার গুরুত্ব বাড়তে থাকে। হল শুরুর পর ৯০ দশকে অশ্লীল ছবির কারনে হল বন্ধ করা হয়। ২০০৪ সালে স্টাফরা নিজেরাই হল চালায়। পরে আবার ২০১৩- ২০১৪ সালে চালু করা হয়। মাঝ খানে তা আবারও বন্ধ থাকে। পরে চালুর পর ঢাকা এ্যাটাক ছবিই ছিল শেষ ছবি। ২০১৮ সালে হল বন্ধ করে মধুবন সিনে প্লেক্স করার চিন্তা নিয়ে কাজ শুরু করেন বলে তিনি জানান।

আর এম ইউনুস জানান, ৫ কোটি টাকা ব্যায়ে সিনে প্লেক্সটি নির্মিত হলে বেলজিয়াম থেকে মেশিন, আমেরিকা থেকে সাউন্ড সিস্টেম, বোম্বে থেকে গ্যালালাইট মেটাল কোডেট পর্দা আনা হয়েছে। হলের নিচে বিশাল পরিসরে থাকবে আধুনিক ফুড কর্নার।

হল মালিক আর এম ইউনুস বলেন, করোনার কারনে হলের কাজ ধীর গতিতে করেছি। আগামী ডিসেম্বরে ভালো দিনক্ষন দেখে ৩৪০ আসন বিশিষ্ট মধুবন সিনে প্লেক্সের শুভ উদ্বোধন করা হবে। #

Happy
Happy
0 %
Sad
Sad
0 %
Excited
Excited
0 %
Sleepy
Sleepy
0 %
Angry
Angry
0 %
Surprise
Surprise
0 %
error: Content is protected !!