• শুক্র. ফেব্রু ২৬, ২০২১

অনুসন্ধানবার্তা

অজানাকে জানতে চোখ রাখুন

শীতের আগমনে কাজিপুরে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে কম্বল তৈরির কারিগররা

Byঅনুসন্ধান বার্তা

অক্টো ৩১, ২০২০
0 0
Read Time:3 Minute, 47 Second

শাহজাহান আলী, কাজিপুর (সিরাজগঞ্জ) থেকে :

শীতের আগমনি বার্তা পাওয়ার সাথে সাথে সরগরম হয়ে উঠেছে কাজিপুরের কম্বল পল্লী বলে খ্যাত চালিতা ডাঙ্গা ইউনিয়নের শিমুল দাইড় বাজার সহ আশপাশ প্রায় ৭ গ্রামের ১০ সহশ্রাধিক কারিগর ও তাদের পরিজনরা কম্বল তৈরিতে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন। এসব গ্রামের পরিবার গুলোর মাঝে শীত যেন সৌভাগ্যের বাড়তা নিয়ে বাড়তি আয়ের সুযোগ সৃষ্টি করে দিতে আসে।

সরেজমিনে গিয়ে কম্বল তৈরিতে ব্যস্ত কারিগরদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, শিমুলদাইড় বাজার, কুনকুনিয়া, বরশিভাঙ্গা, শ্যমপুর, গাড়াবেড়, মাইজবাড়ি, চালিতাডাঙ্গা, মেঘাই মিলে প্রায় ৭/৮ টি গ্রামের প্রায় ১০ হাজার পরিবারের স্থানীয় ভাবে পা, মেশিন বলে পরিচিত সেলাই মেশীন দিয়ে কম্বল তৈরি হচ্ছে। গারমেন্টন্স এর ঝুট কাপর বা টুকরো কাপড় দিয়ে সেলাই করে কম্বল তৈরি হয়ে থাকে।

প্রতিদিন প্রতিজন শ্রমিক ২ থেকে ৩ টা পর্যন্ত কম্বল তৈরি করে থাকে। একেকটি কম্বল তৈরিতে মজুরী বাবদ ৫০/৬০ টাকা করে পেয়ে থাকেন। গৃহস্থালীর কাজের ফাকে শীত মৌসুমে পরিবারের মেয়ে ছেলে সকলেই মিলে মিশে কম্বল সেলাইয়ে ব্যস্ত থাকায় একক চাপ থাকে না ফলে সহজেই পরিবারের সকলে মিলে শীত মৌসুমে সংসারে বাড়তি আয় করে থাকেন।

এছাড়া রয়েছে প্রায় দেড়শর মত যন্ত্র চালিত পাওয়ার মেশিন। পাওয়ার মেশিনে প্রতিদিন ৪ জন কারিগর কাজ করে থকেন। প্রতিদিন ৪ কারিগর মিলে একটি পাওয়ার মেশিনের আওতায় ৯শ থেকে প্রায় ১ হাজার পিস কম্বল তৈরি করতে পারে। এক্ষেত্রে কারিগররা প্রতিজন ৬/৭ শ টাকা আয় করে থাকেন।

শিমুল দাইড় বাজার সহ আশপাশে মিলে দেড়শ পাওয়ার মেশিনে স্থানীয় মহাজনেরা একনাগারে কম্বল তৈরি করে তা বিক্রয়ের আশায় জমা করছেন। আবার কোন কোন মহাজন কম বেশী বেচা বিক্রিও করছেন।

কাজিপুরের শিমুল দাইড়ের তৈরি কম্বল ইতিমধ্যে স্থানীয় চাহিদার পাশাপাশী দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে বিশেষ করে শীতকালীন এলাকা রংপুর, দিনাজপুর, পঞ্চগড়, ঠাকুরগাও থেকেও ব্যাপারী মহাজনরা এসে কম্বল ক্রয় করে থাকেন।

শিমুলদাইড় বাজার কমিটির সভাপতি আবু তাহের জানান এক সময় এই ব্যবসাটি স্থানীয় পর্যায়ে হলেও সময়ের ব্যবধানে এর পরিধি বেড়ে সারাদেশ ব্যাপি বিস্তার লাভ করেছে। শীতের মৌসুমে শতকোটি টাকার ক্রয় বিক্রয় হয়ে থাকে। কিন্ত ব্যাংক ব্যবস্থা না থাকায় ব্যাপারি মহাজনদের টাকা লেনদেন নিয়ে ঝামেলা প্রহাতে হয়।

Happy
Happy
0 %
Sad
Sad
0 %
Excited
Excited
0 %
Sleepy
Sleepy
0 %
Angry
Angry
0 %
Surprise
Surprise
0 %
error: Content is protected !!