• বুধ. এপ্রি ২১, ২০২১

অনুসন্ধানবার্তা

অজানাকে জানতে চোখ রাখুন

বগুড়ার গবেষণা কেন্দ্রে জিরা চাষে সাফল্য

Byঅনুসন্ধান বার্তা

ফেব্রু ৮, ২০২১
জিরা চাষ
0 0
Read Time:3 Minute, 0 Second

স্টাফ রিপোর্টার, অনুসন্ধানবার্তা :

কৃষক পর্যায়ে জিরা-মসলা চাষ শুরু না হলেও গবেষনা পর্যায়ে সাফল্যের মুখ দেখছেন বগুড়া মসলা গবেষনা কেন্দ্র।

সরেজমিনে বগুড়া মসলা গবেষণা কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, বিভিন্ন মসলা নিয়ে গবেষণা কেন্দ্রের জমিতে কাজ করছে কয়েকজন দিনমজুর শ্রমিক। সবুজ জমিতে জিরা ক্ষেত পরিচর্যায় ব্যস্ত তারা। পাশে থেকে পরামর্শ দিচ্ছেন গবেষনা কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা।

শ্রমিকরা জানান, কয়েক বছর হলো কাজ করছি এখানে। বীজ বপন থেকে শুরু করে জিরা উঠানো পর্যন্ত। এখানকার জিরার গন্ধ অনেক। বাজারে বিক্রী জিরার চেয়ে মানও অনেক ভালো।

মসলা গবেষণা কেন্দ্রের এক কর্মকর্তা জানান, জিরা মসলা এখনও বাংলাদেশে আমদানী নির্ভর। চাহিদা মেটাতে জিরা চাষ নিয়ে গবেষণা চলছে। মূলত এখন বাংলাদেশ, ইন্ডিয়া, ইরান, সিরিয়া, তুরস্ক থেকেই মুলত আমদানী হচ্ছে জিরা। এছাড়াও আফগানিস্তান, পাকিস্তানেও জিরা মসলার চাষ হয়।

ওই কর্মকর্তা বলেন, ২০০০ সাল থেকে বগুড়া মসলা গবেষণা কেন্দ্র সহ আঞ্চলিক এবং উপকেন্দ্রে জিরা চাষের গবেষণা শুরু হয়। পরে কয়েক বছর গবেষনা বন্ধ থাকে। ২০০৮ সাল থেকে আবারও গবেষণা শুরু করা হয়েছে। সাফল্যের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি আমরা। নভেম্বরের মাঝামাঝি থেকে বীজ বপন শুরু হয়। ফেব্রুয়ারীর শেষে পরিপক্ক জিরা পাওয়া যায়। শীতকালীন ফসল এটা। তবে কুয়াশা এবং বেশি শীতে জিরা চাষ ব্যাহত হয়।

তিনি আরো জানান, জিরা বীজ এবার ৪০ জন কৃষক পর্যায়ে দেয়া হয়েছে। যারা সফল হবেন ওই এলাকায় আরও বেশি দেয়া হবে।

দেশে কত পরিমান জিরা মসলার প্রয়োজন এ প্রশ্নের জবাবে ওই কর্মকর্তা বলেন, শুধু আমদানীর টাকার পরিমান বানিজ্য মন্ত্রনালয় ও বাংলাদেশ জানায়। এতে পরিমান নির্ধারণ করা যায় না। কারন দাম উঠা নামা করে। আর চোরাই পথেই বেশী আসে।

বীজ সরকারীভাবে বিদেশ থেকে নিয়ে আসেন কিনা ? এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মসলার বীজ কেউ সরকারী ভাবে দেয় না। আমারদেরকেই বিশেষ মাধ্যমে দেশে আনতে হয়।

Happy
Happy
0 %
Sad
Sad
0 %
Excited
Excited
0 %
Sleepy
Sleepy
0 %
Angry
Angry
0 %
Surprise
Surprise
0 %
error: Content is protected !!