• বুধ. মার্চ ৩, ২০২১

অনুসন্ধানবার্তা

অজানাকে জানতে চোখ রাখুন

বগুড়ার শেরপুরে হলুদে ছেয়ে গেছে ফসলী মাঠ : স্বপ্ন বুনছেন কৃষকেরা

Byঅনুসন্ধান বার্তা

ডিসে ১৭, ২০২০
0 0
Read Time:3 Minute, 39 Second

রাশেদুল হক, শেরপুর (বগুড়া) থেকে :

বগুড়া জেলার শেরপুর উপজেলায় ফসলের মাঠ সরিষার ফুলে ফুলে ভরে গেছে। যেদিকে তাকানো যায় শুধু দেখা যায় সবুজের ফাঁকে হলুদের সমাহার। পথিকের নজর কাড়তে ফুলের সৌন্দর্য বাড়িয়েছে মৌমাছির দল। কখনো কখনো সরিষা খেতে বসছে পোকাখাদক বুলবুলি ও শালিকের ঝাঁক।

সরেজমিনে দেখা গেছে, শেরপুর উপজেলার মাঠে মাঠে চাষ করা হয়েছে সব রকমারি ফসল। মাঠের পর মাঠ সরিষার হলুদ ফুলে ভরে গেছে। যেদিকে তাকানো যায়, সেই দিকে শুধু হলুদ আর হলুদ। তবে এখনো আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় অধিক ফলনের আশায় রয়েছে এই এলাকার কৃষকেরা।

শেরপুর উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি বছর ১ হাজার ৮৫০ হেক্টর জমি লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল সরিষা আবাদের জন্য। গত বছরও একই লক্ষমাত্রা ছিল। কিন্তু ফলন ভাল হওয়ায় এবং দাম বেশি পাওয়ায় এবার অর্জিত হয়েছে ১ হাজার ৮৮০ হেক্টর জমি। দিন দিন নতুন জাতের সরিষা আবাদে ঝুঁকছে কৃষকরা।

উপজেলার খানপুর ইউনিয়নের শালফা, শুবলী, বোয়ালকান্দি, চৌবাড়িয়া, শৈল্ল্যাপাড়া, নলবাড়িয়া, গজারিয়া, তালপুকুরিয়াসহ প্রায় সব এলাকাতেই শরিষার আবাদ হয়েছে, খামারকান্দি ইউনিয়ের ঝাজর, বিলনোথার, নলডিঙ্গিপাড়া, ঘোড়দৌড়, মাগুড়ারতাইর, খামারকান্দি, শুভগাছা, হুসনাবাদ, বোয়ালমাড়ি, বেড়েরবাড়ি, গাড়িদহ ইউনিয়নের ফুলবাড়ি, কাফুড়া, রনবীরবালা সহ ১০ টি ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি গ্রামে সরিষার আবাদ করছে কৃষকরা।

কৃষক রুহুল আমিন, শফিকুল ইসলাম, জেকের আলী, ফরহাদ হোসেন সহ বেশ কয়েকজন কৃষক বলেন, সরিষা হলো লাভজনক একটি ফসল। কম খরচে কম সময় দিয়ে এ ফসল উৎপাদন করা যায়। এছাড়াও জমির উর্বরতা বজায় থাকে। সরিষা তুলে ইরি ধান লাগাতে সহজ হয়। তাছাড়া ভেজাল খাবার রোধে নিজেদের জমিতে উৎপাদনকৃত সরিষা ভেঙ্গে তেল তৈরী করে বাড়ির রান্নার কাজে ব্যবহার করা হয়। তবে সবদিক থেকে সরিষা একটি উপকারী ফসল। আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে এবার সরিষার ফলন আরো ভাল হবে বলে আশা করছি।

এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিস কর্মকর্তা কৃষিবিদ শারমিন আক্তার বলেন, উপজেলার প্রায় সবগুলো ইউনিয়নেই সরিষার আবাদ করা হয়। তবে খানপুর, খামারকান্দি, সুঘাট, মির্জাপুর ও গাড়িদহ ইউনিয়নে সরিষার আবাদ বেশি হয়। নির্ধারিত লক্ষমাত্রার চেয়ে ৩০ হেক্টর জমি বেশি অর্জিত হয়েছে। বিভিন্ন জাতের সরিষা আবাদের জন্য কৃষি অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে যাতে করে অল্প সময়ে তারা বেশি লাভবান হতে পারে।

Happy
Happy
0 %
Sad
Sad
0 %
Excited
Excited
0 %
Sleepy
Sleepy
0 %
Angry
Angry
0 %
Surprise
Surprise
0 %
error: Content is protected !!