• মঙ্গল. এপ্রি ২০, ২০২১

অনুসন্ধানবার্তা

অজানাকে জানতে চোখ রাখুন

বগুড়ায় আওয়ামী লীগ নেতার ছেলেসহ যুবলীগের দুই নেতা কারাগারে!

Byঅনুসন্ধান বার্তা

মার্চ ২৫, ২০২১
0 0
Read Time:4 Minute, 1 Second

বগুড়া প্রতিনিধি :

বগুড়া মোটর মালিক গ্রুপের কার্যালয়ে হামলা ও ভাংচুরের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় নূরে-এ আলম অর্ক এবং সেতু খন্দকার নামে দুই যুবলীগ নেতাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। নূরে আলম অর্ক বগুড়া জেলা যুবলীগের প্রস্তাবিত কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক মঞ্জুরুল আলম মোহনের ছেলে এবং সেতু খন্দকার বগুড়া পৌর যুবলীগের সহ-সভাপতি।

আদালতসূত্রে জানাযায়, বগুড়া মোটর মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলামের দায়ের করা মামলার ওই দুই আসামী বগুড়ার অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেছিলেন। কিন্তু বিচারক আহম্মেদ শাহরিয়ার তারিক তা না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

জানাগেছে, বগুড়া শহরের চারমাথা এলাকায় মোটর মালিক গ্রুপের কার্যালয়ের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে চলতি বছরের গত ৯ ফেব্রুয়ারী ক্ষমতাসীন দলের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এক পক্ষের নেতৃত্ব দেন বগুড়া সদর উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি মোটর মালিক গ্রুপের কথিত সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম এবং অপর পক্ষে ছিলেন বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও মোটর মালিক গ্রুপের সাবেক আহবায়ক মঞ্জুরুল আলম মোহন।

সংঘর্ষ চলাকালে গোয়েন্দা পুলিশের এক কনস্টেবলকে ছুরিকাঘাত এবং সাংবাদিকসহ অন্তত ১০জনকে মারপিট করা হয়। এছাড়া আমিনুল ইসলামের নিয়ন্ত্রণাধীন মোটর মালিক গ্রুপের কার্যালয় ভাংচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ এবং মঞ্জুরুল আলম মোহনের মালিকানাধীন যানবাহন ও পেট্রোল পাম্প ভাংচুর করা হয়।

ওই ঘটনায় যুবলীগ নেতা আমিনুল ইসলাম এবং আওয়ামী লীগ নেতা মঞ্জুরুল আলম মোহনের ছোট ভাই মশিউল আলম দীপন পাল্টাপাল্টি মামলা করেন।

এছাড়া পুলিশের পক্ষ থেকেও আরেকটি মামলা দায়ের করা হয়। এরই মধ্যে প্রতিপক্ষের মামলায় মোটর মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক যুবলীগ নেতা আমিনুল ইসলাম বর্তমানে কারাগারে আটক রয়েছেন।

অপরদিকে মোটর মালিক গ্রুপের সাবেক আহবায়ক মঞ্জুরুল আলম মোহন উচ্চ আদালত থেকে জামিনে রয়েছেন।

বগুড়ার অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দায়িত্বরত পুলিশের উপ-পরিদর্শক প্রদ্যুৎ কর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আমিনুল ইসলামের দায়ের করা মামলার দুই আসামী নূরে আলম অর্ক এবং সেতু খন্দকার বৃহস্পতিবার (২৫ মার্চ) সকালে আদালতে হাজির হয়ে জামিন প্রার্থনা করেন। কিন্তু বিচারক শুনানী শেষে তাদের আবেদন না মঞ্জুর করেন। পরে তাদেরকে কারাগারে পাঠানো হয়।

Happy
Happy
0 %
Sad
Sad
0 %
Excited
Excited
0 %
Sleepy
Sleepy
0 %
Angry
Angry
0 %
Surprise
Surprise
0 %
error: Content is protected !!